ট্রাম্পের এশিয়া সফর: চুক্তি, নতজানু কূটনীতি ও আমেরিকার প্রাপ্তি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের বিদেশ সফর সাধারণত আমেরিকার শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ হয়ে ওঠে, কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঁচ দিনের পূর্ব এশিয়া সফর ছিল একেবারেই ভিন্নধর্মী—এটি ছিল ব্যক্তিগত ক্ষমতার প্রদর্শন, সঙ্গে সীমাবদ্ধতার প্রকাশও। বিবিসির অ্যান্থনি জারচার লিখেছেন, মালয়েশিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় সফরের প্রথম চার দিন সবাই ব্যস্ত ছিলেন অস্থির মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুশি রাখতে, কারণ ট্রাম্প এক সিদ্ধান্তেই শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারেন।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক ছিল সফরের মূল আকর্ষণ—এখানে রাজকীয় আয়োজনের বদলে দেখা গেছে বাস্তব রাজনীতির মুখোমুখি হওয়া। মাসের পর মাস উত্তেজনার পর অবশেষে দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছে—আমেরিকা শুল্ক কমাবে, চীন কৃষিপণ্য ও জ্বালানি আমদানি বাড়াবে। যদিও এটি যুগান্তকারী নয়, তবু বাস্তবতার স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্রাম্প এশিয়ায় রাজাদের মতো সংবর্ধনা পেলেও সফর শেষে প্রশ্ন থেকেই যায়—এই প্রদর্শনীতে ট্রাম্প ব্যক্তিগত সাফল্য পেলেও, যুক্তরাষ্ট্র কি পেল তার কূটনৈতিক প্রয়োজনীয় সাফল্য?

Listen and Watch the Story:

Tags: