আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লজ্জাজনকভাবে সরে যাওয়ার পর ভারতও বাধ্য হয়েছিল সেই দেশ ছাড়তে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক শীতল, আর কাবুলের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্কও তিক্ত। এই সুযোগে তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে চাইছে নয়াদিল্লি—যাতে পাকিস্তানকে চাপে রাখা যায় এবং আফগানিস্তানে চীনের আধিপত্য কিছুটা কমানো যায়।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, চরম নারী-বিরোধী তালেবানের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা পররাষ্ট্রনীতিতে বড় ভুল বার্তা দিচ্ছে। আগে রুশ তেল ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভারসাম্য নীতি ধরে রাখতে গিয়ে ভারত যেমন সংকটে পড়েছিল, এবার তালেবান ঘনিষ্ঠতা নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েছে মোদি সরকার।

পরিস্থিতি আরও বিব্রতকর হয় যখন দিল্লিতে তালেবান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে নারী সাংবাদিকদের নিষিদ্ধ করা হয়—আর ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কোনো প্রতিবাদ জানায়নি। এতে বিরোধী দলগুলো অভিযোগ তুলেছে, মোদি সরকার পাকিস্তান ও চীনের চাপে পড়ে নারীর মর্যাদা রক্ষার ন্যূনতম অবস্থানও হারাচ্ছে।